শুক্রবার খুলনা টেস্টে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ৩ টেস্টের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ।
এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা সাকিবের। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই পঞ্চম ও শেষ দিনে দ্বিতীয় টেস্টে ১৬২ রানে জেতে বাংলাদেশ।
ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুশফিক বলেন, “সাকিব একজন খুবই স্পেশাল খেলোয়াড়।”
প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে সাকিব ছিলেন অনন্য। ১৮০ বলে ১৮টি চার ও ২টি ছয়ে ১৩৭ রান করেন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারলেও বল হাতে দুই ইনিংসেই ছিলেন অসাধারণ। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেন ৮০ রানে। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ড্রর দিকে এগিয়ে চলা টেস্টে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।
টেস্ট ক্রিকেটে এক ম্যাচে শতক আর ১০ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইয়ান বোথাম ও পাকিস্তানের ইমরান খানের পাশে নিজের নাম লেখান সাকিব। টেস্ট ক্রিকেটে এই কৃতিত্ব এতদিন কেবল কিংবদন্তি এই দুই অলরাউন্ডারেরই ছিল।
সাকিবের প্রশংসা করতে গিয়ে মুশফিক বলেন, “আমরা জানি, সাকিব ব্যাটে, বলে আর ফিল্ডিংয়ে স্পেশাল। তরুণ ক্রিকেটাররা তাকে দেখে অনুপ্রেরণা পায়।”
