Bangladesh selectors right now released one more 15 guy group with the ICC Cricket Earth Goblet 2015. Mashrafe Mortaza may chief your Bangladesh part along with Shakib 's Hasan referred to as your vice-captain intended for Cricket Earth Goblet 2015 that may occur with Sydney along with Completely new Zealand with Feb along with 03.
cricket information
Thursday, January 8, 2015
Sunday, November 16, 2014
প্রথম বারের মত বাংলাদেশের অনন্য কীর্তি
ঢাকা টেস্ট ৩ উইকেটে ও খুলনা টেস্ট ১৬২ রানে জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। রোববার চট্টগ্রাম টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ১৮৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়েন মুশফিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, “ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য এমনই। প্রথম টেস্টের একটা সেশন ছাড়া আর কখনই মনে হয়নি ওরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে। কখনো কোনো সেশন হয়তো সমান-সমান হয়েছে।”
সিরিজের আগে ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। তারপরও ৩-০ ব্যবধানে জয়ের কথাই ভেবেছিলেন মুশফিক।
“পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ফল এমন আসবে, এটাই আমাদের মাথায় ছিল। সেদিক থেকে বলব যে, অবিশ্বাস্য কিছু হয়নি; আমাদের জন্য এটাই স্বাভাবিক।”
টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দুবার করে অলআউট করায় বোলারদের কৃতিত্ব দেন মুশফিক। তবে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়ায় ব্যাটসম্যানদেরও প্রশংসা করেন তিনি।
মুশফিকের অধীনে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট জয়। আর কোনো অধিনায়কের অধীনে একটির বেশি টেস্ট জয় নেই তাদের। তবে জয়ের জন্য সতীর্থদেরই কৃতিত্ব দিলেন মুশফিক।
“আমার যে কৃতিত্ব নেয়ার মতো কিছু আছে তা নয়। সবাই ভালো খেলেছে, মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমি চাই খেলোয়াড়রা এটি ধরে রাখুক।”
শেষ দিন জয়ের জন্য ৩৭৮ রান প্রয়োজন ছিল জিম্বাবুয়ের; বাংলাদেশের ৯ উইকেট। সিকান্দার রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা বড় জুটি গড়লেও কখনো জয়ের ছাড়া আর কিছু ভাবেননি স্বাগতিক অধিনায়ক।
“ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, এটা সময়ের ব্যাপার ছিল। ওরা ঝুঁকি নিয়ে খেলছিল। আমার মনে হয়েছিল, ওরা যেকোনো সময়ে আউট হতে পারে। প্রথম সেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জানতাম, আধা ঘণ্টার মধ্যে দুয়েকটা উইকেট নিলে ওরা চাপে থাকবে, এবং এটাই হয়েছে।”
সকালে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে বোলিং শুরু করেন শুভাগত হোম চৌধুরী। শুভাগতকে দিয়ে বোলিং শুরুর ব্যাখ্যায় অধিনায়ক বলেন, “উইকেটে এমন কন্ডিশন ছিল যে, আপনাকে প্রতিটি বল খেলতে হবে। আমারা জানতাম, ওর বলে একটা ভুল করলেই একটা উইকেট বের হবে। শুভাগতকে কৃতিত্ব দিতে হবে। সে চাপ তৈরি করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছে।”
শুভাগত ফেরান আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা ও রাজাকে।
বোলিং বিকল্প অনেক বেশি থাকায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলারদের ব্যবহার করা গেছে বলে জানান মুশফিক। তাই পঞ্চম দিন সাকিবের খুব বেশি ওভার করার সুযোগ হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, “ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য এমনই। প্রথম টেস্টের একটা সেশন ছাড়া আর কখনই মনে হয়নি ওরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে। কখনো কোনো সেশন হয়তো সমান-সমান হয়েছে।”
সিরিজের আগে ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। তারপরও ৩-০ ব্যবধানে জয়ের কথাই ভেবেছিলেন মুশফিক।
“পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ফল এমন আসবে, এটাই আমাদের মাথায় ছিল। সেদিক থেকে বলব যে, অবিশ্বাস্য কিছু হয়নি; আমাদের জন্য এটাই স্বাভাবিক।”
টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দুবার করে অলআউট করায় বোলারদের কৃতিত্ব দেন মুশফিক। তবে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়ায় ব্যাটসম্যানদেরও প্রশংসা করেন তিনি।
মুশফিকের অধীনে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট জয়। আর কোনো অধিনায়কের অধীনে একটির বেশি টেস্ট জয় নেই তাদের। তবে জয়ের জন্য সতীর্থদেরই কৃতিত্ব দিলেন মুশফিক।
“আমার যে কৃতিত্ব নেয়ার মতো কিছু আছে তা নয়। সবাই ভালো খেলেছে, মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমি চাই খেলোয়াড়রা এটি ধরে রাখুক।”
শেষ দিন জয়ের জন্য ৩৭৮ রান প্রয়োজন ছিল জিম্বাবুয়ের; বাংলাদেশের ৯ উইকেট। সিকান্দার রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা বড় জুটি গড়লেও কখনো জয়ের ছাড়া আর কিছু ভাবেননি স্বাগতিক অধিনায়ক।
“ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, এটা সময়ের ব্যাপার ছিল। ওরা ঝুঁকি নিয়ে খেলছিল। আমার মনে হয়েছিল, ওরা যেকোনো সময়ে আউট হতে পারে। প্রথম সেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জানতাম, আধা ঘণ্টার মধ্যে দুয়েকটা উইকেট নিলে ওরা চাপে থাকবে, এবং এটাই হয়েছে।”
সকালে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে বোলিং শুরু করেন শুভাগত হোম চৌধুরী। শুভাগতকে দিয়ে বোলিং শুরুর ব্যাখ্যায় অধিনায়ক বলেন, “উইকেটে এমন কন্ডিশন ছিল যে, আপনাকে প্রতিটি বল খেলতে হবে। আমারা জানতাম, ওর বলে একটা ভুল করলেই একটা উইকেট বের হবে। শুভাগতকে কৃতিত্ব দিতে হবে। সে চাপ তৈরি করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছে।”
শুভাগত ফেরান আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা ও রাজাকে।
বোলিং বিকল্প অনেক বেশি থাকায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলারদের ব্যবহার করা গেছে বলে জানান মুশফিক। তাই পঞ্চম দিন সাকিবের খুব বেশি ওভার করার সুযোগ হয়নি।
Saturday, November 15, 2014
অনন্য কীর্তি মমিনুলের
দারুণ একটি সেঞ্চুরি পেলেন মুমিনুল হক। কক্সবাজারের এই বাঁ হাতি আজ চট্টগ্রামে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর চতুর্থ শতকটি। ক্যারিয়ার এখনো পর্যন্ত মাত্র ১২ টেস্টের, আর এরই মধ্যে তাঁর শতক সংখ্যা ৪! এমন রেকর্ড কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরই নেই। ১২ টেস্টে তাঁর ৪ সেঞ্চুরি আর ৭ হাফ সেঞ্চুরি এসেছে ৫৬ গড়ে। সত্যিই মুমিনুল নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অন্য উচ্চতায়।
চা বিরতির আগেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল।তাঁর ১০২ রানের ইনিংসটি ১৫৯ বলে ১২ চারে সাজানো। তামিমে বিদায়ের পর উইকেটে আসা মাহমুদউল্লাহ ফিরেছেন ৩০ রানে। এই মুহূর্তে ১৪ রান নিয়ে মুমিনুলের সঙ্গী সাকিব আল হাসান।
ব্যাট হাতে দারুণ খেলছিলেন তামিম ইকবাল। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও বড় সংগ্রহের ভিতটা গড়েই ফেলেছিলেন কিন্তু তাঁর সম্ভাবনার ইনিংসটির যবনিকা পতন হয়েছে ব্যক্তিগত ৬৫ রানেই। মুশাঙ্গয়ের লেগ ব্রেকে ব্যাটের প্রতিরোধটা বজায় রইল না তাঁর। বোল্ড সাজঘরে ফেরার ধরণটি ঠিক তাঁর ইনিংসের গুলগত মানের সঙ্গে যায় না।
টেস্ট ক্যারিয়ারে এই দ্বিতীয়বারের মতো এক ম্যাচে সেঞ্চুরি ও ফিফটির দেখা পেলেন তামিম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের এই মারকুটে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নিজেকে যেভাবে পরিবর্তিত করেছেন, সেটা দেখলে অবাক হতেই হয়। অথচ এই তামিমই ঢাকার প্রথম টেস্টে উভয় ইনিংসে ছিলেন চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এতটাই উত্থান-পতনময় ছিল যে তামিমকে দল থেকে বাদ দেওয়ার একটা দাবীই ধীরে-ধীরে উচকিত হয়ে উঠছিল।
খুলনা টেস্টে তামিম নিজের পরিবর্তনটা প্রথম সামনে নিয়ে এলেন। প্রথম ইনিংসে দারুণ স্থিতধী এক সেঞ্চুরিতে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করলেন, চট্টগ্রামে নিজভূমে এসে তিনি নিজের ফর্মকে নিয়ে গেলেন অন্য উচ্চতায়। তাঁর দুর্ভাগ্যই বলতে হবে, জোড়া সেঞ্চুরিটি তিনি পেলেন না। কিন্তু নিজের ইনিংসে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে তিনি কিন্তু ঠিকই নিয়ে গেছেন।
সকালে খুব তাড়াতাড়িই ফিরে যান ইমরুল কায়েস। পানিয়াঙ্গারার বলে তিনি উইকেটের পেছনে মুতুমবামির হাতে ধরা পড়ার আগে নিজের খাতায় লেখেন ১৬ রান। এর পরপরই তামিম মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন দারুণ এক জুটি। এই জুটি ভাঙে ১১৩ রান তুলে। কিন্তু ততক্ষণে বাংলাদেশের লিডটা চলে গেছে চ্যালেঞ্জিং পর্যায়েই।
Wednesday, November 12, 2014
বিদেশী লীগে খেলতে পারবেন সাকিব
তাঁর দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্সেই নিশ্চিত হয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফিরেই পুরনো ঝলক দেখিয়ে পুনরুদ্ধার করেছেন টেস্ট অলরাউন্ডার রেংকিংয়ের ১ম স্থানটি। এবার আরেকটি সুখবর পেলেন সাকিব। বিদেশী লীগে খেলতে তাঁর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বিসিবি।
শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ৭ জুলাই সাকিবকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- বিসিবি। সেই সাথে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে এক বছর ও বিদেশী লীগগুলোতে দেড় বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অবশ্য গত ২৬ আগস্ট সাকিবের শাস্তি ৬ মাস থেকে কমিয়ে ৩ মাস করা হয় এবং ঘরোয়া লীগে খেলার অনুমতি দেওয়া হয়। এবার বিদেশী লীগগুলোতেও খেলার অনুমতি পেয়ে গেলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। সাকিবের অনুধাবন, ভুল স্বীকার, একই সঙ্গে দেশের ক্রিকেটে তার প্রয়োজনীয়তা- এই ব্যাপারগুলোই সাকিবের শাস্তি কমানোর সিদ্ধান্তে সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় এসেছে। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সাকিবই একমাত্র ক্রিকেটার যার চাহিদা সকল বিদেশী লীগগুলোয় আকাশচুম্বী।
এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গির অভিযোগে সাকিব আল হাসানকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এবং তখনই বাংলাদেশ ধরাশয়ী হয় আফগানিস্তানের কাছে।
জিম্বাবুয়ের সাথে চলমান হোম সিরিজে সাকিব আল হাসান বলতে গেলে একাই বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন দুই ম্যাচে। প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বোলিংয়ের সাথে অসাধারণ ব্যাটিং পারফরমেন্সে বাংলাদেশ হারায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী জিম্বাবুয়েকে। বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত তাই যথোপযুক্তই।
Tuesday, November 11, 2014
অনন্য রেকর্ডের হাতছানি সাকিব আল হাসানের সামনে
![]() |
কম ম্যাচে বেশিবার পাঁচ উইকেট
ক্যারিয়ারে ৩৬ টেস্টে সাকিব আল হাসান ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন এ নিয়ে ১৪ বার। ক্যারিয়ারে কমপক্ষে ১৪ বার পাঁচ উইকেটের কৃতিত্ব দেখানো বোলারদের সাফল্যের অনুপাতে সাকিবের নাম পঞ্চম স্থানে। এতে এক নম্বরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের শতবছর আগের পেস তারকা সিডনি বার্নস। ২৭ টেস্টে ২৪বার পাঁচ উইকেট নিয়ে বার্নসের অনুপাত ১.১৩। আর ১.৭৬ অনুপাত নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার শতবছর আগের লেগ-স্পিন তারকা ক্ল্যারি গ্রিমেট।
সিরিজে সেরা অলরাউন্ড নৈপুণ্য
খেলোয়াড় ম্যাচ রান সর্বোচ্চ গড় উই গড় ৫উই সাল
ওয়াসিম (পা.) ৩ ১৯৭ ১২৩ ৩৯.৪ ১৭ ১৮.৭০ ৩ ১৯৯০
সাকিব (বাং) ২ ১৬৩ ১৩৭ ৪০.৭৫ ১৭ ১৩.৩৫ ৩ ২০১৪
ক্যারিয়ারে ৩৬ টেস্টে সাকিব আল হাসান ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন এ নিয়ে ১৪ বার। ক্যারিয়ারে কমপক্ষে ১৪ বার পাঁচ উইকেটের কৃতিত্ব দেখানো বোলারদের সাফল্যের অনুপাতে সাকিবের নাম পঞ্চম স্থানে। এতে এক নম্বরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের শতবছর আগের পেস তারকা সিডনি বার্নস। ২৭ টেস্টে ২৪বার পাঁচ উইকেট নিয়ে বার্নসের অনুপাত ১.১৩। আর ১.৭৬ অনুপাত নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার শতবছর আগের লেগ-স্পিন তারকা ক্ল্যারি গ্রিমেট।
সিরিজে সেরা অলরাউন্ড নৈপুণ্য
খেলোয়াড় ম্যাচ রান সর্বোচ্চ গড় উই গড় ৫উই সাল
ওয়াসিম (পা.) ৩ ১৯৭ ১২৩ ৩৯.৪ ১৭ ১৮.৭০ ৩ ১৯৯০
সাকিব (বাং) ২ ১৬৩ ১৩৭ ৪০.৭৫ ১৭ ১৩.৩৫ ৩ ২০১৪
বোলার ম্যাচ উইকেট গড় ৫ উই. অনুপাত
সিডনি বার্নস (ইং) ২৭ ১৮৯ ১৬.৪৩ ২৪ ১.১৩
ক্ল্যারি গ্রিমেট (অ.) ৩৭ ২১৬ ২৪.২১ ২১ ১.৭৬
মুরলিধরন (শ্রী.) ১৩৩ ৮০০ ২২.৭২ ৬৭ ১.৯৯
রিচার্ড হ্যাডলি (নিউ.) ৮৬ ৪৩১ ২২.২৯ ৩৬ ২.৩৯
সাকিব আল সাসান (বাং) ৩৬ ১৩৯ ৩০.৯৪ ১৪ ২.৫৭
হিউ টেইফিল্ড (দ.আ.) ৩৭ ১৭০ ২৮.৯১ ১৪ ২.৬৪
রঙ্গনা হেরাথ (শ্রী) ৫৭ ২৬০ ২৯.০৬ ২১ ২.৭১
টেরি অল্ডারম্যান (অ.) ৪১ ১৭০ ২৭.১৫ ১৪ ২.৯৩
ডেনিস লিলি (অ.) ৭০ ৩৫৫ ২৩.৯২ ২৩ ৩.০৪
ডেইল স্টেইন (দ.আ.) ৭৫ ৩৮৩ ২২.৫৬ ২৪ ৩.১৩
সিডনি বার্নস (ইং) ২৭ ১৮৯ ১৬.৪৩ ২৪ ১.১৩
ক্ল্যারি গ্রিমেট (অ.) ৩৭ ২১৬ ২৪.২১ ২১ ১.৭৬
মুরলিধরন (শ্রী.) ১৩৩ ৮০০ ২২.৭২ ৬৭ ১.৯৯
রিচার্ড হ্যাডলি (নিউ.) ৮৬ ৪৩১ ২২.২৯ ৩৬ ২.৩৯
সাকিব আল সাসান (বাং) ৩৬ ১৩৯ ৩০.৯৪ ১৪ ২.৫৭
হিউ টেইফিল্ড (দ.আ.) ৩৭ ১৭০ ২৮.৯১ ১৪ ২.৬৪
রঙ্গনা হেরাথ (শ্রী) ৫৭ ২৬০ ২৯.০৬ ২১ ২.৭১
টেরি অল্ডারম্যান (অ.) ৪১ ১৭০ ২৭.১৫ ১৪ ২.৯৩
ডেনিস লিলি (অ.) ৭০ ৩৫৫ ২৩.৯২ ২৩ ৩.০৪
ডেইল স্টেইন (দ.আ.) ৭৫ ৩৮৩ ২২.৫৬ ২৪ ৩.১৩
Monday, November 10, 2014
বিশ্বকাপের পুরস্কারের অর্থ বেড়েছে
বিশ্বকাপের পুরস্কারের অর্থ বেড়েছে
সোমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, ২০১১ বিশ্বকাপের পুরস্কারের চেয়ে এবারের পুরস্কারের অর্থ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডে বসবে বিশ্বকাপের একাদশ আসর। প্রতিযোগিতার অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন পাবে ৪০ লাখ ২০ হাজার ডলার। এক ম্যাচ হেরে শিরোপা জেতা দল পাবে ৩৯ লাখ ৭৫ হাজার ডলার।
রানার্সআপ দল পাবে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সেমি-ফাইনালে হারা দুই দল পাবে ৬ লাখ ডলার করে। কোয়ার্টার-ফাইনালে হারা চার দল পাবে ৩ লাখ ডলার করে।
গ্রুপে পর্বে প্রতিটি জয়ের জন্য পাওয়া যাবে ৪৫ হাজার ডলার। গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া ৬ দল পাবে ৩৫ হাজার ডলার করে।
বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হওয়া ২০১১ বিশ্বকাপে ৮০ লাখ ১০ হাজার ডলার পুরস্কার দিয়েছিল আইসিসি।
বিশ্বকাপের ৪৯টি ম্যাচেই আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতি বা ডিআরএস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।
বিশ্বকাপে কেবল ‘নক-আউট’ ম্যাচগুলোতে রিজার্ভ ডে থাকবে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে কোনো রিজার্ভ ডে থাকবে না।
নক-আউট পর্বের ম্যাচে কোনো সুপার ওভার থাকবে ন। কোয়ার্টার-ফাইনাল ও সেমি-ফাইনালে কোনো ম্যাচ টাই হলে গ্রুপ পর্বে ওপরে থাকা দলটি পরের পর্বে যাবে। ফাইনাল টাই হলে বা কোনো ফলাফল না হলে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
সোমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, ২০১১ বিশ্বকাপের পুরস্কারের চেয়ে এবারের পুরস্কারের অর্থ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডে বসবে বিশ্বকাপের একাদশ আসর। প্রতিযোগিতার অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন পাবে ৪০ লাখ ২০ হাজার ডলার। এক ম্যাচ হেরে শিরোপা জেতা দল পাবে ৩৯ লাখ ৭৫ হাজার ডলার।
রানার্সআপ দল পাবে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সেমি-ফাইনালে হারা দুই দল পাবে ৬ লাখ ডলার করে। কোয়ার্টার-ফাইনালে হারা চার দল পাবে ৩ লাখ ডলার করে।
গ্রুপে পর্বে প্রতিটি জয়ের জন্য পাওয়া যাবে ৪৫ হাজার ডলার। গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া ৬ দল পাবে ৩৫ হাজার ডলার করে।
বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হওয়া ২০১১ বিশ্বকাপে ৮০ লাখ ১০ হাজার ডলার পুরস্কার দিয়েছিল আইসিসি।
বিশ্বকাপের ৪৯টি ম্যাচেই আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতি বা ডিআরএস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।
বিশ্বকাপে কেবল ‘নক-আউট’ ম্যাচগুলোতে রিজার্ভ ডে থাকবে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে কোনো রিজার্ভ ডে থাকবে না।
নক-আউট পর্বের ম্যাচে কোনো সুপার ওভার থাকবে ন। কোয়ার্টার-ফাইনাল ও সেমি-ফাইনালে কোনো ম্যাচ টাই হলে গ্রুপ পর্বে ওপরে থাকা দলটি পরের পর্বে যাবে। ফাইনাল টাই হলে বা কোনো ফলাফল না হলে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
Sunday, November 9, 2014
Saturday, November 8, 2014
সাকিব খুবই স্পেশাল
শুক্রবার খুলনা টেস্টে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ৩ টেস্টের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ।
এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা সাকিবের। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই পঞ্চম ও শেষ দিনে দ্বিতীয় টেস্টে ১৬২ রানে জেতে বাংলাদেশ।
ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুশফিক বলেন, “সাকিব একজন খুবই স্পেশাল খেলোয়াড়।”
প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে সাকিব ছিলেন অনন্য। ১৮০ বলে ১৮টি চার ও ২টি ছয়ে ১৩৭ রান করেন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারলেও বল হাতে দুই ইনিংসেই ছিলেন অসাধারণ। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেন ৮০ রানে। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ড্রর দিকে এগিয়ে চলা টেস্টে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।
টেস্ট ক্রিকেটে এক ম্যাচে শতক আর ১০ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইয়ান বোথাম ও পাকিস্তানের ইমরান খানের পাশে নিজের নাম লেখান সাকিব। টেস্ট ক্রিকেটে এই কৃতিত্ব এতদিন কেবল কিংবদন্তি এই দুই অলরাউন্ডারেরই ছিল।
সাকিবের প্রশংসা করতে গিয়ে মুশফিক বলেন, “আমরা জানি, সাকিব ব্যাটে, বলে আর ফিল্ডিংয়ে স্পেশাল। তরুণ ক্রিকেটাররা তাকে দেখে অনুপ্রেরণা পায়।”
Subscribe to:
Posts (Atom)


.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
