ঢাকা টেস্ট ৩ উইকেটে ও খুলনা টেস্ট ১৬২ রানে জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। রোববার চট্টগ্রাম টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ১৮৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়েন মুশফিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, “ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য এমনই। প্রথম টেস্টের একটা সেশন ছাড়া আর কখনই মনে হয়নি ওরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে। কখনো কোনো সেশন হয়তো সমান-সমান হয়েছে।”
সিরিজের আগে ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। তারপরও ৩-০ ব্যবধানে জয়ের কথাই ভেবেছিলেন মুশফিক।
“পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ফল এমন আসবে, এটাই আমাদের মাথায় ছিল। সেদিক থেকে বলব যে, অবিশ্বাস্য কিছু হয়নি; আমাদের জন্য এটাই স্বাভাবিক।”
টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দুবার করে অলআউট করায় বোলারদের কৃতিত্ব দেন মুশফিক। তবে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়ায় ব্যাটসম্যানদেরও প্রশংসা করেন তিনি।
মুশফিকের অধীনে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট জয়। আর কোনো অধিনায়কের অধীনে একটির বেশি টেস্ট জয় নেই তাদের। তবে জয়ের জন্য সতীর্থদেরই কৃতিত্ব দিলেন মুশফিক।
“আমার যে কৃতিত্ব নেয়ার মতো কিছু আছে তা নয়। সবাই ভালো খেলেছে, মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমি চাই খেলোয়াড়রা এটি ধরে রাখুক।”
শেষ দিন জয়ের জন্য ৩৭৮ রান প্রয়োজন ছিল জিম্বাবুয়ের; বাংলাদেশের ৯ উইকেট। সিকান্দার রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা বড় জুটি গড়লেও কখনো জয়ের ছাড়া আর কিছু ভাবেননি স্বাগতিক অধিনায়ক।
“ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, এটা সময়ের ব্যাপার ছিল। ওরা ঝুঁকি নিয়ে খেলছিল। আমার মনে হয়েছিল, ওরা যেকোনো সময়ে আউট হতে পারে। প্রথম সেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জানতাম, আধা ঘণ্টার মধ্যে দুয়েকটা উইকেট নিলে ওরা চাপে থাকবে, এবং এটাই হয়েছে।”
সকালে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে বোলিং শুরু করেন শুভাগত হোম চৌধুরী। শুভাগতকে দিয়ে বোলিং শুরুর ব্যাখ্যায় অধিনায়ক বলেন, “উইকেটে এমন কন্ডিশন ছিল যে, আপনাকে প্রতিটি বল খেলতে হবে। আমারা জানতাম, ওর বলে একটা ভুল করলেই একটা উইকেট বের হবে। শুভাগতকে কৃতিত্ব দিতে হবে। সে চাপ তৈরি করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছে।”
শুভাগত ফেরান আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা ও রাজাকে।
বোলিং বিকল্প অনেক বেশি থাকায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলারদের ব্যবহার করা গেছে বলে জানান মুশফিক। তাই পঞ্চম দিন সাকিবের খুব বেশি ওভার করার সুযোগ হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, “ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য এমনই। প্রথম টেস্টের একটা সেশন ছাড়া আর কখনই মনে হয়নি ওরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে। কখনো কোনো সেশন হয়তো সমান-সমান হয়েছে।”
সিরিজের আগে ভালো অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। তারপরও ৩-০ ব্যবধানে জয়ের কথাই ভেবেছিলেন মুশফিক।
“পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারলে ফল এমন আসবে, এটাই আমাদের মাথায় ছিল। সেদিক থেকে বলব যে, অবিশ্বাস্য কিছু হয়নি; আমাদের জন্য এটাই স্বাভাবিক।”
টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দুবার করে অলআউট করায় বোলারদের কৃতিত্ব দেন মুশফিক। তবে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়ায় ব্যাটসম্যানদেরও প্রশংসা করেন তিনি।
মুশফিকের অধীনে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট জয়। আর কোনো অধিনায়কের অধীনে একটির বেশি টেস্ট জয় নেই তাদের। তবে জয়ের জন্য সতীর্থদেরই কৃতিত্ব দিলেন মুশফিক।
“আমার যে কৃতিত্ব নেয়ার মতো কিছু আছে তা নয়। সবাই ভালো খেলেছে, মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমি চাই খেলোয়াড়রা এটি ধরে রাখুক।”
শেষ দিন জয়ের জন্য ৩৭৮ রান প্রয়োজন ছিল জিম্বাবুয়ের; বাংলাদেশের ৯ উইকেট। সিকান্দার রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা বড় জুটি গড়লেও কখনো জয়ের ছাড়া আর কিছু ভাবেননি স্বাগতিক অধিনায়ক।
“ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, এটা সময়ের ব্যাপার ছিল। ওরা ঝুঁকি নিয়ে খেলছিল। আমার মনে হয়েছিল, ওরা যেকোনো সময়ে আউট হতে পারে। প্রথম সেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জানতাম, আধা ঘণ্টার মধ্যে দুয়েকটা উইকেট নিলে ওরা চাপে থাকবে, এবং এটাই হয়েছে।”
সকালে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে বোলিং শুরু করেন শুভাগত হোম চৌধুরী। শুভাগতকে দিয়ে বোলিং শুরুর ব্যাখ্যায় অধিনায়ক বলেন, “উইকেটে এমন কন্ডিশন ছিল যে, আপনাকে প্রতিটি বল খেলতে হবে। আমারা জানতাম, ওর বলে একটা ভুল করলেই একটা উইকেট বের হবে। শুভাগতকে কৃতিত্ব দিতে হবে। সে চাপ তৈরি করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছে।”
শুভাগত ফেরান আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা ও রাজাকে।
বোলিং বিকল্প অনেক বেশি থাকায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বোলারদের ব্যবহার করা গেছে বলে জানান মুশফিক। তাই পঞ্চম দিন সাকিবের খুব বেশি ওভার করার সুযোগ হয়নি।
